VSK প্রতিবেদন:
এটি আর সাধারণ কোনও প্রতিরক্ষা সংবাদ নয়—ভারতের শত্রুদের জন্য এটি এক স্পষ্ট সতর্কবার্তা। সাম্প্রতিক এক বিস্ফোরক প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, ব্রহ্মোস সুপারসনিক ক্রজ মিসাইল এমন পর্যায়ে পৌঁছেছে যে ২০৪০ সাল পর্যন্ত বিশ্বের কোনও এয়ার ডিফেন্স সিস্টেমই কার্যকরভাবে একে আটকাতে পারবে না। ব্রহ্মোস অ্যারোস্পেস ও প্রতিরক্ষা বিশেষজ্ঞদের মতে, ম্যাক ৩ গতিবেগ, লো-অ্যালটিটিউড ফ্লাইট ও এস-ম্যানুভারের কারণে এই মিসাইল কার্যত অপ্রতিরোধ্য।
২০২৫ সালের ‘অপারেশন সিঁদুর’-এ এর বাস্তব প্রমাণ মিলেছে। পাকিস্তানের চীনা HQ-9 ও HQ-6 এয়ার ডিফেন্স থাকা সত্ত্বেও ব্রহ্মোসের ইন্টারসেপশন রেট ছিল শূন্য শতাংশ—সবকটি মিসাইল নির্ভুলভাবে লক্ষ্যে আঘাত হানে।
এর পাশাপাশি আরও বড় বার্তা দিচ্ছে ভারতের ভবিষ্যৎ K-5 সাবমেরিন লঞ্চ ব্যালিস্টিক মিসাইল। ৫,০০০ থেকে ৮,০০০ কিমি পাল্লার এই MIRV-সক্ষম ‘সিটি বাস্টার’ মিসাইল ভারতের সেকেন্ড স্ট্রাইক ক্ষমতাকে অজেয় করে তুলবে। S-5 শ্রেণির পারমাণবিক সাবমেরিনে মোতায়েন হওয়া এই অস্ত্র ভারতের নিউক্লিয়ার ট্রায়াডকে সম্পূর্ণ করবে।
এই সাফল্য প্রমাণ করে—ভারত আর অনুসারী নয়, প্রতিরক্ষা প্রযুক্তিতে বিশ্বনেতা। আত্মনির্ভর ভারতের এই শক্তিতেই সুরক্ষিত আগামী।




