অবৈধ রোহিঙ্গা বিতাড়নের প্রশ্নে ঐতিহাসিক রায়ের পথে সুপ্রিম কোর্ট: ভারতের সার্বভৌমত্ব ও জাতীয় নিরাপত্তার প্রশ্নে আদালতের দ্ব্যর্থহীন বার্তা

SHARE:

[responsivevoice_button voice="Hindi Female"]

???? VSK প্রতিবেদন — অবৈধভাবে ভারতে বসবাসকারী রোহিঙ্গা মুসলিমদের আইনি অবস্থান নিয়ে দেশের সর্বোচ্চ আদালত এবার চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিতে চলেছে। বৃহস্পতিবার একটি ঐতিহাসিক শুনানিতে, সুপ্রিম কোর্ট জানায় যে, তারা রোহিঙ্গারা “শরণার্থী” না কি “অবৈধ অনুপ্রবেশকারী”—এই মৌলিক প্রশ্নে রায় দেবে। বিচারপতি সূর্যকান্ত, দীপঙ্কর দত্ত ও এন কোটিশ্বর সিংহের নেতৃত্বাধীন তিন বিচারপতির বেঞ্চ এই মামলাটি পরবর্তী তিনদিন ব্যাপকভাবে শুনবে বলে জানিয়েছে।

???? শুনানির মূল বিষয়বস্তু:

1️⃣ রোহিঙ্গারা কি আদৌ “শরণার্থী” হিসেবে গণ্য হতে পারেন? যদি হন, তবে তাদের কী ধরনের অধিকার ও সুরক্ষা প্রযোজ্য?

2️⃣ যদি তারা অবৈধ অনুপ্রবেশকারী হন, তবে কি ভারত সরকার ও সংশ্লিষ্ট রাজ্য সরকারগুলির দায়িত্ব তাদের দেশে ফেরত পাঠানো?

3️⃣ দীর্ঘদিন আটক থাকা রোহিঙ্গারা কি জামিনে মুক্তির অধিকার রাখেন?

4️⃣ যাঁরা আটক নন, কিন্তু ক্যাম্পে আছেন—তাঁদের কি মৌলিক সুযোগ-সুবিধা (জল, স্যানিটেশন, শিক্ষা) দেওয়া হয়েছে, নাকি ২১ নম্বর অনুচ্ছেদ লঙ্ঘিত হয়েছে?


???? জাতীয় নিরাপত্তায় হুমকি রোহিঙ্গারা, কেন্দ্রের অবস্থান স্পষ্ট

ভারত সরকার ইতিমধ্যে বারবার স্পষ্ট করেছে যে, রোহিঙ্গারা অবৈধ অনুপ্রবেশকারী এবং তাঁদের দেশে ফেরত পাঠানোই আইনানুগ এবং দেশের স্বার্থে একান্ত প্রয়োজনীয়। বেশ কিছু রাজ্যে তাঁদের বেআইনি কর্মকাণ্ড, মানব পাচার, জাল আধার কার্ড সংগ্রহ এবং স্থানীয় রাজনীতির সুবিধা ভোগ করার একাধিক অভিযোগ উঠেছে।

সরকারি সূত্রে জানা যায়, ৯৫,০০০-এরও বেশি রোহিঙ্গা বর্তমানে ভারতে বসবাস করছেন, যাঁদের মধ্যে ২২,৫০০ জনকে জাতিসংঘের ইউএনএইচসিআর “stateless refugee” বলে স্বীকৃতি দিলেও ভারত এই চুক্তির সদস্য নয় এবং সেই কারণে তা মানতে বাধ্যও নয়।


???? এনজিও ও বিদেশি অর্থপুষ্ট মানবাধিকার সংগঠনের ‘উদারতা’ নিয়ে প্রশ্ন

জাতীয় স্বার্থকে পাশে রেখে কিছু বিদেশি অর্থপুষ্ট এনজিও ও মানবাধিকার সংগঠন আদালতে বারবার রোহিঙ্গাদের পক্ষে আবেদন জানাচ্ছে। তারা চায় অবৈধ অনুপ্রবেশকারীদের ভারতীয় নাগরিকের মতো অধিকার দান করা হোক। অথচ, ভারত এমনিতেই জনসংখ্যার ভারে জর্জরিত এবং সীমিত সম্পদ দিয়ে তার জনগণকে সেবা প্রদান করছে।


????️ সংবিধান অনুযায়ী নাগরিকত্ব নির্ধারণের অধিকার সংসদের হাতে

সংবিধানের অনুচ্ছেদ ১১ অনুযায়ী, ভারতীয় নাগরিকত্ব সম্পর্কিত সব সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষমতা সংসদের উপর ন্যস্ত। ১৯৫৫ সালের নাগরিকত্ব আইন অনুযায়ী অবৈধ রোহিঙ্গারা কোনওভাবেই ভারতের নাগরিক হতে পারেন না।

সুপ্রিম কোর্টের কাজ হল আইনের ব্যাখ্যা ও ন্যায়বিচার, কিন্তু জাতীয় নিরাপত্তা ও নাগরিকত্বের মতো স্পর্শকাতর বিষয়ে শেষ সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষমতা নির্বাচিত প্রতিনিধিদের মাধ্যমে পরিচালিত সংসদের হাতেই থাকা উচিত।


জাতীয়তাবাদী দৃষ্টিভঙ্গিতে রায় প্রত্যাশা

ভারতীয় জনতা, বিশেষ করে সীমান্ত রাজ্যগুলির জনগণ দীর্ঘদিন ধরে রোহিঙ্গাদের অবৈধ প্রবেশের বিরুদ্ধে সরব। তাই সুপ্রিম কোর্টের কাছে এখন প্রত্যাশা, তারা কেবল শুষ্ক আইনি যুক্তি নয়, বরং দেশের সার্বভৌমত্ব, জনসংখ্যা ভারসাম্য, আইনশৃঙ্খলা এবং নিরাপত্তার দৃষ্টিকোণ থেকেও বিষয়টির বিচার করবে

[the_ad id='179']

Leave a Comment

सबसे ज्यादा पड़ गई