কংগ্রেস ‘হিন্দু সন্ত্রাস’ প্রচার চালিয়ে হিন্দু ধর্মকে কলঙ্কিত করেছিল—দেশজুড়ে দাবি উঠছে , তাদের বিরুদ্ধে ফৌজদারি মামলা হওয়া উচিত

SHARE:

[responsivevoice_button voice="Hindi Female"]

VSK প্রতিবেদন — দীর্ঘ ১৭ বছরের প্রতীক্ষার অবসান ঘটিয়ে অবশেষে মুম্বইয়ের বিশেষ NIA আদালত ২০০৮ সালের মালেগাঁও বিস্ফোরণ মামলার রায় ঘোষণা করল। বিচারে অভিযুক্ত সাতজনকে—যার মধ্যে রয়েছেন সাদ্ধী প্রজ্ঞা সিং ঠাকুর ও লেফটেন্যান্ট কর্নেল প্রসাদ পুরোহিতকে—সমস্ত অভিযোগ থেকে সম্পূর্ণভাবে বেকসুর খালাস দেওয়া হয়েছে।আদালতের পর্যবেক্ষণে স্পষ্ট বলা হয়েছে—প্রসিকিউশন প্রমাণ দিতে ব্যর্থ হয়েছে, এবং অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে সন্দেহের বাইরে কোনো অপরাধ প্রমাণ হয়নি। বিস্ফোরণ ঘটেছিল ঠিকই, কিন্তু তার পিছনে যাদের দায়ী করা হয়েছিল, সেই অভিযোগের মূলে ছিল গভীর রাজনৈতিক ষড়যন্ত্র—এমনটাই বলছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা।

এখন প্রশ্ন উঠে এসেছে—কে বা কারা মিথ্যা মামলায় ভারতীয় সেনার একজন অফিসার, এক নারী সন্ন্যাসিনী ও বহু দেশভক্তকে ষড়যন্ত্র করে ফাঁসিয়েছিল?

???? আদালতের নির্দেশ:

বিশেষ বিচারক এ কে লাহোটি NIA-র মামলায় খালাস দেওয়ার পাশাপাশি মহারাষ্ট্র ATS-এর বিরুদ্ধে গুরুতর মন্তব্য করেছেন। আদালত নির্দেশ দিয়েছে—ATS কর্তৃক অভিযুক্ত সুধাকর চতুর্বেদীর বাড়িতে বিস্ফোরক “পুঁতে দেওয়ার” অভিযোগে ADG-কে তদন্ত শুরু করতে হবে।

???? যারা অভিযুক্ত করেছিল:

এই মামলার গোড়ার তদন্ত করেছিল মহারাষ্ট্র ATS, তৎকালীন প্রধান হেমন্ত কারকরের নেতৃত্বে। তাদের অভিযোগ ছিল—হিন্দু সংগঠনের সদস্যরা মুসলিম অধ্যুষিত এলাকায় প্রতিশোধমূলক বিস্ফোরণ চালিয়েছিল। সাদ্ধী প্রজ্ঞার মোটরসাইকেলের নাম ঘিরে অভিযোগ গড়ে ওঠে, আর কর্নেল পুরোহিতের বিরুদ্ধে উঠে আসে ‘অভিনব ভারত’-এর মিটিং ও বিস্ফোরক ব্যবস্থাপনার অভিযোগ।

???? কিন্তু পরবর্তীতে NIA:

২০১১ সালে NIA তদন্ত গ্রহণ করে এবং ২০১৬-তে জানায়—ATS-এর অভিযোগে ছিল ভয়াবহ গলদ ও প্রমাণবিহীন জোর করে স্বীকারোক্তি আদায়।MCOCA ধারা বাতিল করা হয়, এবং অনেক অভিযুক্তকে বাদ দেওয়া হয়। তবুও কিছু রাজনৈতিক চাপ ও বিভ্রান্তিতে মামলাটি চলতে থাকে।

???? দেশজুড়ে ক্ষোভ ও প্রতিক্রিয়া:

  • উমা ভারতী: “যাঁরা ‘ভগবত সন্ত্রাস’ প্রতিষ্ঠা করতে চেয়েছিলেন, তাঁদের বিরুদ্ধে কঠোর শাস্তিমূলক পদক্ষেপ নিতে হবে।”
  • রবিশঙ্কর প্রসাদ: “এটা কংগ্রেসের ভোটব্যাংকের ষড়যন্ত্র ছিল। একজন সেনা অফিসারকে কাশ্মীরে জঙ্গি দমনের জন্য পুরস্কৃত না করে তাঁকে জেলে পাঠানো হয়েছিল।”
  • যোগী আদিত্যনাথ: “সত্যমেব জয়তের জয়গান—কংগ্রেসকে জাতির কাছে ক্ষমা চাইতে হবে।”
  • একনাথ শিন্ডে: “সত্যকে দমিয়ে রাখা যায়, হারানো যায় না। এটি অন্ধকার অধ্যায়ের অবসান।”
  • দেবেন্দ্র ফড়নবীস: “ভগওয়া বা গেরুয়া রং কখনো সন্ত্রাস হতে পারে না।”

???? এখন প্রশ্ন:

???? ১৭ বছর ধরে নিরপরাধ দেশভক্তদের যারা ভোগান্তিতে ফেলেছিল—তাদের বিচার হবে না?
???? ATS অফিসারদের বিরুদ্ধে কি ব্যবস্থা নেবে সরকার?
???? কংগ্রেস যেভাবে ‘হিন্দু সন্ত্রাস’ নামক প্রচার চালিয়ে গোটা সম্প্রদায়কে কলঙ্কিত করেছিল—তাদের রাজনৈতিক শাস্তি কি হবে?

দেশজুড়ে দাবি উঠছে—যাঁরা রাজনৈতিক স্বার্থে এই ষড়যন্ত্র করেছিল, তাঁদের বিরুদ্ধে ফৌজদারি মামলা হওয়া উচিত।

এই রায় কেবলমাত্র বেকসুর ঘোষণা নয়, এটি এক গভীর ষড়যন্ত্র ফাঁস করে দিল—যা দেশের বিচার, সেনা ও ধর্মীয় বিশ্বাসকে রাজনৈতিক স্বার্থে ব্যবহার করেছিল। এখন সময় এসেছে কেবল অভিযুক্তদের নয়, অভিযুক্তকারীদেরও কাঠগড়ায় দাঁড় করানোর। ন্যায় এখনো অসম্পূর্ণ, যতক্ষণ না ষড়যন্ত্রকারীরা শাস্তি পায়।

[the_ad id='179']

1 thought on “কংগ্রেস ‘হিন্দু সন্ত্রাস’ প্রচার চালিয়ে হিন্দু ধর্মকে কলঙ্কিত করেছিল—দেশজুড়ে দাবি উঠছে , তাদের বিরুদ্ধে ফৌজদারি মামলা হওয়া উচিত”

Leave a Comment

सबसे ज्यादा पड़ गई