সুপ্রিম কোর্টে কড়া ধাক্কা রাহুল গান্ধীর, প্রশ্ন: “সত্যিকারের ভারতীয় হলে এমন কথা বলতেন?”

SHARE:

[responsivevoice_button voice="Hindi Female"]

 VSK প্রতিবেদন:

৪ঠা আগস্ট, ২০২৫ তারিখে সুপ্রিম কোর্ট কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধীর বিরুদ্ধে লখনউয়ের এমপি-এমএলএ আদালতে চলা মানহানির মামলার কার্যক্রমে সাময়িক স্থগিতাদেশ দিলেও, তাঁর বিতর্কিত মন্তব্যের কড়া সমালোচনা করল। ২০২২ সালের ডিসেম্বরে ‘ভারত জোড়ো যাত্রা’ চলাকালীন রাহুল দাবি করেন, “ভারতীয় জওয়ানরা চিনা সেনার হাতে মার খাচ্ছে”, যা নিয়ে প্রবল বিতর্কের সৃষ্টি হয় ও সেনাবাহিনীকে অপমানের অভিযোগে তাঁর বিরুদ্ধে মামলাও হয়। মামলাটির নিষ্পত্তি চেয়ে সুপ্রিম কোর্টে আবেদন জানানোর পর বিচারপতি দীপঙ্কর দত্ত ও অগাস্টিন জর্জ মসীহের বেঞ্চ রাহুলের মন্তব্যকে “দায়িত্বহীন রাজনৈতিক আচরণ” বলে অভিহিত করে বলেন, “সীমান্তে উত্তেজনার সময় যদি কেউ বলে শত্রু ২০০০ কিমি জমি দখল করেছে, তবে সেটা কীভাবে জাতীয় স্বার্থে সহনীয়?” আদালত আরও প্রশ্ন তোলে, “সংসদে প্রশ্ন না তুলে কেন সোশ্যাল মিডিয়ায় এমন মন্তব্য?” — মতপ্রকাশের স্বাধীনতার অপব্যবহার বরদাস্ত নয় বলে সুপ্রিম কোর্ট স্পষ্ট জানিয়ে দেয় যে এমন মন্তব্য কি সত্য, প্রমাণসহ বলা হয়েছে কিনা, তা মূল্যায়নের প্রয়োজন রয়েছে। উল্লেখ্য, এর আগেই ২৯ মে এলাহাবাদ হাই কোর্ট রাহুল গান্ধীর আবেদন খারিজ করে জানিয়েছিল, অভিযোগে যথেষ্ট গুরুত্ব রয়েছে। এই মামলা দায়ের করেন লখনউয়ের নাগরিক উদয় শঙ্কর শ্রীবাস্তব, যিনি অভিযোগ করেন, রাহুলের মন্তব্য সেনাবাহিনী ও সাধারণ মানুষের আবেগে আঘাত করেছে। এই পুরো ঘটনায় দেশবাসীর প্রশ্ন একটাই— জাতীয়তাবাদ যদি রাজনীতির ঊর্ধ্বে না ওঠে, তবে রাজনৈতিক লভ্যাংশের জন্য সেনার আত্মত্যাগকে এভাবে অপমান করা কতটা ন্যায্য? সুপ্রিম কোর্ট ফের প্রমাণ করল— রাষ্ট্রপ্রেমকে আঘাত দিলে আইনের মঞ্চে তার উপযুক্ত জবাব দেওয়া হবেই।

দেশের বীর সেনাদের বিরুদ্ধে বিতর্কিত মন্তব্য করে আবারও জাতীয়তাবাদী চেতনার আঘাতে কোণঠাসা কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধী। আজ সোমবার সুপ্রিম কোর্টে তাঁর বিরুদ্ধে চলা মানহানির মামলার শুনানিতে একদিকে লখনউয়ের এমপি-এমএলএ আদালতে কার্যক্রমে সাময়িক স্থগিতাদেশ দেওয়া হলেও, একইসঙ্গে আদালত রাহুলের বক্তব্যের বিরুদ্ধে কড়া আপত্তি জানিয়েছে।

???? ‘যদি সত্যিকারের ভারতীয় হতেন, সেনাদের অপমান করতেন না’ — সুপ্রিম কোর্ট

২০২২ সালের ডিসেম্বরে ‘ভারত জোড়ো যাত্রা’র সময় রাহুল গান্ধী দাবি করেছিলেন, “ভারতীয় জওয়ানরা চিনা সেনার হাতে মার খাচ্ছে।” এই অপমানজনক ও মিথ্যা অভিযোগে রাহুলের বিরুদ্ধে লখনউতে মানহানির মামলা দায়ের করা হয়। সুপ্রিম কোর্টে সেই মামলার বাতিলের আবেদন শুনতে গিয়ে বিচারপতি দীপঙ্কর দত্ত ও বিচারপতি অগাস্টিন জর্জ মসীহের বেঞ্চ রাহুলকে প্রশ্ন করেন: “সীমান্তে উত্তেজনার সময়ে কেউ যদি বলে শত্রু ২০০০ কিমি জমি দখল করেছে, তাহলে এটা কী ধরনের দায়িত্ববান রাজনীতি?” আদালতের মতে, সেনাবাহিনী দেশের সম্মান ও আত্মবিশ্বাসের প্রতীক। রাজনৈতিক স্বার্থে এমন মন্তব্য জাতীয় নিরাপত্তার জন্য বিপজ্জনক বার্তা দেয়। “সোশ্যাল মিডিয়ায় কেন? সংসদে প্রশ্ন তুলুন” — আদালতের প্রশ্ন

আদালত সরাসরি রাহুল গান্ধীকে প্রশ্ন করেছে, কেন তিনি সংসদে প্রশ্ন না তুলে সোশ্যাল মিডিয়ায় এমন মন্তব্য করেছেন? সংবিধানে মতপ্রকাশের স্বাধীনতা থাকলেও সেটির অপব্যবহার বরদাস্ত নয় — মন্তব্য করে বিচারপতিরা বলেন, “এই অধিকার মানে এই নয় যে কেউ যা খুশি বলবেন।”

 ইতিমধ্যেই হাই কোর্ট থেকেও ছাড় পাননি রাহুলএ বছরের ২৯ মে এলাহাবাদ হাই কোর্ট রাহুলের আবেদন খারিজ করে দিয়েছিল। অভিযোগপত্র ও সমন বাতিলের আবেদন নাকচ করে জানিয়েছিল, অভিযোগে যথেষ্ট গুরুত্ব আছে, শুনানি হওয়া দরকার।

???? দেশবাসীর আবেগে আঘাতএই মামলার সূচনা হয় যখন লখনউয়ের বাসিন্দা উদয় শঙ্কর শ্রীবাস্তব আদালতে পিটিশন দায়ের করেন, যেখানে তিনি বলেন, “রাহুল গান্ধীর বক্তব্যে সেনা ও দেশের মানুষের আত্মবিশ্বাসে আঘাত লেগেছে। সীমান্ত ইস্যুতে এমন বিভ্রান্তিকর ও অপমানজনক মন্তব্য একেবারেই গ্রহণযোগ্য নয়।”

???? জাতীয়তাবাদের প্রশ্নে কোনো ছাড় নয়। সেনা মানে শুধুই পেশা নয় — এ দেশের প্রতিটি নাগরিকের গর্ব, আত্মার শক্তি। রাজনৈতিক লাভের জন্য সেনার অপমান কখনই মেনে নেওয়া যায় না। ভারতীয় বিচারব্যবস্থা ফের প্রমাণ করল — ‘রাষ্ট্রপ্রেম কখনও প্রশ্নের ঊর্ধ্বে নয়, তবে রাষ্ট্রদ্রোহ কখনও ছাড় পায় না।

[the_ad id='179']

Leave a Comment

सबसे ज्यादा पड़ गई