“অপারেশন অস্মিতা: উত্তরপ্রদেশ পুলিশের দুঃসাহসী অভিযানে ধ্বংস বড় ধর্মান্তর গ্যাং – ৭ বোন উদ্ধার, দেশজুড়ে আলোড়ন”

SHARE:

[responsivevoice_button voice="Hindi Female"]

VSK প্রতিবেদন: আগ্রায় নিখোঁজ হওয়া দুই বোনের রহস্য উন্মোচনের পথে দেশজুড়ে আলোড়ন ফেলেছে এক বিপুল ‘ধর্মান্তর গ্যাং’-এর কার্যকলাপ। একই সঙ্গে শিরোনামে এসেছে উত্তরপ্রদেশ পুলিশের দুঃসাহসী ও গোপন অভিযান ‘অপারেশন অস্মিতা’, যেখানে একযোগে ৬ রাজ্যে ৯ স্থানে হানা দিয়ে ৭ বোনকে উদ্ধার করা হয়েছে।পুলিশ কমিশনার দীপক কুমার জানান, ২৪ মার্চ আগ্রা সদর থানায় নিখোঁজ দুই বোনের অভিযোগ জমা পড়ে। মোবাইল বা ইলেকট্রনিক ডিভাইস না থাকায় খোঁজ পাওয়া দুষ্কর ছিল। ৪১ দিন পেরিয়ে গেলেও কোনো সুরাহা হয়নি। হঠাৎই ছোট বোনের ইনস্টাগ্রাম প্রোফাইলে AK-47 হাতে ছবি দেখে চমকে ওঠে পুলিশ। তদন্তে প্রকাশ পায়—দুই বোন ইতিমধ্যেই এক বড় ধর্মান্তর চক্রের কবলে।

গুরুত্বপূর্ণ সূত্র আসে তৃতীয় বোনের কাছ থেকে—একটি ‘রিভার্টি’ নামের মাইক্রো-ব্লগিং পেজ, যার অবস্থান কলকাতায়। এখান থেকেই যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা, দুবাই ও লন্ডনসহ ১৫টি ভারতীয় রাজ্যে আর্থিক লেনদেনের প্রমাণ মেলে।

গ্যাংয়ে অনুপ্রবেশের জন্য এক মহিলা সাব-ইন্সপেক্টরকে ‘রিভার্টি’ গ্রুপে যুক্ত করা হয়। আইপিএস আদিত্যর নেতৃত্বে বিশেষ দল গঠন করে ১০০% মুসলিম অধ্যুষিত এলাকায় গোপন রেকি চালানো হয়। সরকারি গাড়ির বদলে ভাড়ার ট্যাক্সি ব্যবহার করে ১১টি দল গঠন হয়—যেখানে ৪৫ পুলিশ সদস্য বিশেষ প্রশিক্ষণ পান।অভিযানের গোপনীয়তা ছিল এমন পর্যায়ে যে, এক-দুজন শীর্ষ কর্মকর্তাকে ছাড়া কেউই জানত না যে তাঁরা দেশের এক বিশাল ধর্মান্তর গ্যাং-এর মেরুদণ্ড ভাঙতে চলেছেন। শেষমেশ আগ্রার নিখোঁজ দুই বোন মুসলিম অধ্যুষিত এলাকা থেকে উদ্ধার হয়।

অভিযানের সাফল্য—

  • ৯ স্থানে একযোগে অভিযান

  • ৭ বোন উদ্ধার

  • ১৪ অভিযুক্ত গ্রেপ্তার

  • বই, প্রচারপত্র ও ভিডিও উদ্ধার, যা হিন্দু সমাজে বিভাজন ও ধর্মান্তরে প্ররোচনা দিত

পুলিশ কমিশনারের দাবি—এটাই প্রথমবার, যখন উত্তরপ্রদেশ পুলিশ এত বৃহৎ পরিসরে সমন্বিত অভিযান চালিয়ে মানবপাচার ও ধর্মান্তর চক্র ভেঙে দিয়েছে। ‘অপারেশন অস্মিতা’ এখন দেশপ্রেমিক মহলে সাহস, পরিকল্পনা ও কর্তব্যনিষ্ঠার প্রতীক হয়ে উঠেছে।

Source: Opindia

[the_ad id='179']

Leave a Comment

सबसे ज्यादा पड़ गई