ISRO-NASA যৌথ মিশন ‘নিসার’—পরিবেশ ও দুর্যোগ পর্যবেক্ষণে নতুন দিগন্ত

SHARE:

[responsivevoice_button voice="Hindi Female"]

ভারতীয় মহাকাশ গবেষণা সংস্থা ISRO এবং মার্কিন মহাকাশ সংস্থা NASA-র যৌথ উদ্যোগে নির্মিত অত্যাধুনিক উপগ্রহ NISAR (NASA-ISRO Synthetic Aperture Radar) উৎক্ষেপণের জন্য পুরোপুরি প্রস্তুত। ৩০ জুলাই বিকেল ৫টা ৪০ মিনিটে শ্রীহরিকোটা থেকে নিসার উৎক্ষেপণ করা হবে। এই উপগ্রহটির মাধ্যমে পৃথিবীর জলবায়ু পরিবর্তন, প্রাকৃতিক দুর্যোগ ও ভৌগোলিক পরিবর্তনের উপর নজরদারিতে বৈপ্লবিক পরিবর্তন আসবে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।

নিসার বিশ্বের প্রথম দ্বৈত-ফ্রিকোয়েন্সির রাডার ইমেজিং উপগ্রহ, যা NASA-র L-ব্যান্ড ও ISRO-র S-ব্যান্ড রাডার প্রযুক্তিকে একত্রিত করেছে। ফলে এটি দিনে ও রাতে, যেকোনো আবহাওয়ায় পৃথিবীর পৃষ্ঠের সূক্ষ্ম পরিবর্তন নিরীক্ষণ করতে পারবে।

???? নিসার মিশনের মুখ্য বৈশিষ্ট্য ও উপকারিতা:

  • ???? জলবায়ু পরিবর্তন পর্যবেক্ষণ: হিমবাহ গলন, সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধি ও বৈশ্বিক উষ্ণায়নের প্রভাব বিশ্লেষণে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য সরবরাহ করবে।

  • ⚠️ প্রাকৃতিক দুর্যোগ পূর্বাভাস: ভূমিকম্প, ভূমিধস ও আগ্নেয়গিরির সক্রিয়তার পূর্বাভাস ও ক্ষয়ক্ষতি নিরুপণে সহায়তা করবে।

  • ???? কৃষি ও জলসম্পদ ব্যবস্থাপনা: মাটির আর্দ্রতা, ফসলের বৃদ্ধি ও জলসেচ ব্যবস্থার উপর নজরদারি রাখা সম্ভব হবে।

  • ???? বন ও জলাভূমি সংরক্ষণ: বনভূমি ধ্বংস, জলাভূমি পরিবর্তন ও জৈববৈচিত্র্য রক্ষা নিরীক্ষণে ব্যবহার হবে নিসারের ডেটা।

  • ????️ নগর পরিকল্পনা ও পরিকাঠামো বিশ্লেষণ: শহরগুলির ভৌগোলিক পরিবর্তন ও অবকাঠামোর অবস্থা বিশ্লেষণে নিসারের উচ্চ রেজোলিউশনের তথ্য কার্যকর হবে।

ISRO-র চেয়ারম্যান ডঃ এস. সোমনাথ বলেন,

“নিসার মিশন শুধুমাত্র ভারত ও আমেরিকার মহাকাশ সহযোগিতার এক অনন্য মাইলফলক নয়, এটি বৈশ্বিকভাবে পরিবেশ সংরক্ষণ ও দুর্যোগ মোকাবিলায় এক যুগান্তকারী পদক্ষেপ।”

প্রতিদিন প্রায় ৮৫ টেরাবাইট ডেটা উৎপন্ন করবে নিসার, যা গবেষক, সরকার এবং দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা সংস্থাগুলোর জন্য উন্মুক্ত করা হবে।

এই মিশনের মাধ্যমে ভারতের মহাকাশ গবেষণার ইতিহাসে আরও একটি গৌরবময় অধ্যায় যুক্ত হতে চলেছে।

[the_ad id='179']

Leave a Comment

सबसे ज्यादा पड़ गई