‘ব্যক্তি নির্মাণে রাষ্ট্র নির্মাণ’ এই সংকল্প নিয়ে মায়ের সেবায় নিজেকে উৎসর্গ করেছে আরএসএস-এর স্বয়ংসেবকরা : প্রধানমন্ত্রী

SHARE:

[responsivevoice_button voice="Hindi Female"]

VSK প্রতিবেদন:  ৭৯তম স্বাধীনতা দিবসে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী ঐতিহাসিক লালকেল্লার প্রাচীর থেকে জাতিকে উদ্দেশ্য করে আবেগঘন ভাষণ দেন। ভাষণে তিনি রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সংঘের (আরএসএস) শতবর্ষ পূর্তিকে গর্বের সঙ্গে স্মরণ করে সংগঠনটিকে বিশ্বের সবচেয়ে বড় স্বেচ্ছাসেবী সংস্থা হিসেবে উল্লেখ করেন। তিনি বলেন,
“আজ আমি গর্বের সঙ্গে উল্লেখ করতে চাই, ১০০ বছর আগে একটি সংগঠন জন্ম নিয়েছিল – আরএসএস। ১০০ বছরের জাতিসেবা ইতিহাসের এক সোনালী অধ্যায়। ‘ব্যক্তি নির্মাণে রাষ্ট্র নির্মাণ’ এই সংকল্প নিয়ে মায়ের সেবায় নিজেকে উৎসর্গ করেছে স্বয়ংসেবকরা… এক অর্থে, আরএসএস বিশ্বের সবচেয়ে বড় এনজিও। শতবর্ষের আত্মনিবেদন এই সংগঠনকে অনন্য করেছে।”

এদিন প্রধানমন্ত্রী লালকেল্লায় জাতীয় পতাকা উত্তোলন করেন এবং সেনা, নৌবাহিনী, বায়ুসেনা ও দিল্লি পুলিশের ১২৮ সদস্যের গার্ড অব অনার গ্রহণ করেন। উইং কমান্ডার অরুণ নাগরের নেতৃত্বে অনুষ্ঠিত হয় এই সম্মানজনক অনুষ্ঠান। লালকেল্লার প্রাঙ্গণে উপস্থিত ছিলেন প্রায় ৫,০০০ বিশেষ অতিথি, যাদের মধ্যে ছিলেন স্পেশাল অলিম্পিকস ২০২৫-এর ভারতীয় দল, আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতার বিজয়ীরা, খেলো ইন্ডিয়া প্যারা গেমসের সোনাজয়ীরা এবং ন্যাশনাল বিকিপিং অ্যান্ড হানি মিশন-এর সেরা কৃষকেরা।

অন্যদিকে, আরএসএস প্রধান মোহন ভাগবত স্বাধীনতা দিবসের প্রেক্ষিতে উত্কল বিপন্ন সহায়তা সমিতিতে জাতীয় পতাকা উত্তোলন করে বার্তা দেন:
“ভারত একটি অনন্য দেশ। পৃথিবীতে শান্তি ও সুখ আনাই আমাদের লক্ষ্য। আমাদের ধর্মকে বিশ্বব্যাপী ভাগ করে নিতে হবে। স্বাধীন হওয়ার উদ্দেশ্য ছিল প্রত্যেক নাগরিকের সাহস, নিরাপত্তা, শান্তি ও সম্মান নিশ্চিত করা। আজ পৃথিবী বিভ্রান্ত। ২০০০ বছরেরও বেশি পরীক্ষা-নিরীক্ষার পরও সমাধান মেলেনি। আমাদের দায়িত্ব বিশ্বের সমস্যার সমাধান এনে দেওয়া এবং ধর্মভিত্তিক দর্শনে নতুন বিশ্ব গঠন করা।”

 ভারতের দায়িত্ব কেবল নিজের উন্নয়ন নয়, বরং বিশ্বকে শান্তি ও সমাধানের পথ দেখানো।

[the_ad id='179']

Leave a Comment

सबसे ज्यादा पड़ गई