ভারতের কূটনৈতিক বিজয়! পেহেলগাম জঙ্গি হামলার তীব্র নিন্দা করল সাংহাই কোঅপারেশন অর্গানাইজেশন (SCO), দিল কড়া বার্তা

SHARE:

[responsivevoice_button voice="Hindi Female"]

VSK প্রতিবেদন: ভারতের জন্য বড়সড় কূটনৈতিক সাফল্য। সাংহাই কোঅপারেশন অর্গানাইজেশন (SCO) ২২শে এপ্রিল জম্মু ও কাশ্মীরের পেহেলগামে সংঘটিত ভয়াবহ জঙ্গি হামলার তীব্র নিন্দা জানিয়েছে। এই হামলায় ২৬ জন নিরীহ মানুষের প্রাণহানি ঘটে। ১লা সেপ্টেম্বর গৃহীত তিয়ানজিন ডিক্লারেশন-এ নিহতদের পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানিয়ে অপরাধীদের পাশাপাশি হামলার সংগঠক ও পৃষ্ঠপোষকদের আইনের আওতায় আনার আহ্বান জানানো হয়।

ঘোষণাপত্রে SCO রাষ্ট্রগুলো সন্ত্রাসবাদ, বিচ্ছিন্নতাবাদ ও চরমপন্থার বিরুদ্ধে লড়াইয়ে অটল প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করেছে। তাতে স্পষ্ট বলা হয়েছে, “ডাবল স্ট্যান্ডার্ড কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়।” সন্ত্রাসী গোষ্ঠীগুলিকে ভাড়াটে উদ্দেশ্যে ব্যবহার করা আন্তর্জাতিক নীতির পরিপন্থী, বলেও উল্লেখ করা হয়। আন্তর্জাতিক মহলকে সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপ নিতে ও সীমান্ত পেরিয়ে জঙ্গি অনুপ্রবেশ রুখতে আহ্বান জানানো হয়েছে।

 

শীর্ষ সম্মেলনে ভাষণ দিতে গিয়ে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী সরাসরি প্রশ্ন তোলেন— “কিছু দেশ কি খোলাখুলি সন্ত্রাসবাদকে সমর্থন করতে পারে? এটা কি মানবতার বিরুদ্ধে অপরাধ নয়?” মোদী পেহেলগামের জঙ্গি হামলাকে মানবতার ওপর আঘাত হিসেবে বর্ণনা করে SCO দেশগুলোকে ‘জিরো টলারেন্স পলিসি’ গ্রহণের আহ্বান জানান।

উল্লেখযোগ্যভাবে, এই বক্তব্যের সময় পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরীফও সভায় উপস্থিত ছিলেন। বিশেষজ্ঞদের মতে, SCO-এর এই ঘোষণাপত্র ভারতীয় কূটনীতির বড় জয়, কারণ এতে পরোক্ষভাবে সীমান্ত পারাপারের সন্ত্রাসে মদত দেওয়া দেশগুলিকে কড়া বার্তা দেওয়া হয়েছে।ভারতীয় কূটনৈতিক মহলে এই ঘোষণা একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক হিসেবে ধরা হচ্ছে। এর মাধ্যমে শুধু SCO নয়, গোটা আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ অবস্থান নিতে আহ্বান জানানো হলো। বিশেষত যখন সন্ত্রাসবাদের প্রশ্নে দ্বিচারিতা নিয়ে ভারত বারবার সরব হয়েছে, তখন এই সমর্থন ভারতের অবস্থানকে আরও শক্তিশালী করবে বলে মনে করা হচ্ছে।

[the_ad id='179']

Leave a Comment

सबसे ज्यादा पड़ गई