VSK প্রতিবেদন: আজ নয়াদিল্লির যশোভূমি কনভেনশন সেন্টারে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী ‘Semicon India 2025’-এর আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করলেন। এটি এখন পর্যন্ত ভারতের সবচেয়ে বড় সেমিকন্ডাক্টর এবং ইলেকট্রনিক্স প্রদর্শনী, যেখানে ৩৩টি দেশের ৩৫০টিরও বেশি শীর্ষ প্রযুক্তি কোম্পানি অংশগ্রহণ করছে। এই মহাসম্মেলনের মূল উদ্দেশ্য হলো ভারতকে বৈশ্বিক সেমিকন্ডাক্টর শিল্পে অন্যতম শক্তিধর দেশ হিসেবে প্রতিষ্ঠা করা এবং দেশের প্রযুক্তি উদ্ভাবনকে নতুন উচ্চতায় নিয়ে যাওয়া।
মোদী সোমবার রাতে নিজের এক্স (X) অ্যাকাউন্টে লিখেছিলেন, “এই আয়োজন বিশ্বের শীর্ষ সেমিকন্ডাক্টর কোম্পানিগুলিকে এক ছাদের নিচে নিয়ে আসবে। ভারত এই খাতে বিগত কয়েক বছরে দ্রুত অগ্রগতি করেছে।” সম্মেলনটি আজ (২ সেপ্টেম্বর) থেকে শুরু হয়ে ৪ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত চলবে।
#WATCH | दिल्ली: प्रधानमंत्री नरेंद्र मोदी ने सेमीकॉन इंडिया 2025 कार्यक्रम में कहा, "सेमीकॉन इंडिया के इस आयोजन में आए आप सभी लोगों का मैं स्वागत करता हूं। आप सभी विकसित भारत की, आत्मनिर्भर भारत की यात्रा में हमारे बहुत महत्वपूर्ण भागीदार हैं। कुछ दिन पहले ही इस वर्ष की पहली… pic.twitter.com/cFtd50zNc4
— ANI_HindiNews (@AHindinews) September 2, 2025
মূল আকর্ষণ ও ফোকাস:
-
সেমিকন্ডাক্টর ফ্যাবস
-
অ্যাডভান্সড প্যাকেজিং
-
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI)
-
গবেষণা ও বিনিয়োগের সম্ভাবনা
এই তিনদিনে প্রযুক্তি বিশেষজ্ঞ, বিনিয়োগকারী ও শিল্প নেতাদের মধ্যে ভারতের সেমিকন্ডাক্টর ইকোসিস্টেম উন্নয়নের রোডম্যাপ নিয়ে গভীর আলোচনা হবে।
অংশগ্রহণের পরিসর:
-
৪৮টি দেশ থেকে ২,৫০০ প্রতিনিধি
-
মোট অংশগ্রহণকারী সংখ্যা ২০,০০০-এর বেশি
-
৫০ জনের বেশি গ্লোবাল টেক লিডার ও ১৫০ জন শীর্ষ বক্তা
৩ সেপ্টেম্বর মোদীর বিশেষ বৈঠক:
প্রধানমন্ত্রী মোদী সম্মেলনের দ্বিতীয় দিন বিশ্বখ্যাত প্রযুক্তি কোম্পানির সিইওদের সঙ্গে বৈঠক করবেন, যাতে ভারতীয় বাজারে বিনিয়োগের নতুন সম্ভাবনা তৈরি হয়।
কেন গুরুত্বপূর্ণ ‘Semicon India 2025’?
এই সম্মেলন কেবল প্রযুক্তি প্রদর্শনী নয়, বরং ‘মেক ইন ইন্ডিয়া’ এবং আত্মনির্ভর ভারতের স্বপ্ন বাস্তবায়নের একটি বড় পদক্ষেপ। ভারতের যুবসমাজের জন্য এটি নতুন কর্মসংস্থান ও উদ্ভাবনের অবারিত সুযোগের দ্বার উন্মোচন করতে চলেছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, বিশ্বের সেমিকন্ডাক্টর বাজার আগামী কয়েক বছরে এক ট্রিলিয়ন ডলারের বেশি হতে পারে। ভারত যদি এই খাতে শক্ত অবস্থান গড়ে তোলে, তবে তা শুধু অর্থনীতির জন্য নয়, স্ট্র্যাটেজিক সুরক্ষার দিক থেকেও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।




