২০২৪ সালের ৩১ ডিসেম্বরের আগে আসা সংখ্যালঘু নির্যাতিতরা বৈধ কাগজপত্র ছাড়াও থাকেতে পারবেন

SHARE:

[responsivevoice_button voice="Hindi Female"]

VSK প্রতিবেদন: নতুন আইন “ইমিগ্রেশন অ্যান্ড ফরেনার্স (এক্সেম্পশন) অর্ডার, ২০২৫” অনুযায়ী ভারত সরকার দেশজুড়ে অবৈধ বিদেশিদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণের ঘোষণা করেছে। কেন্দ্রীয় সরকার গেজেট নোটিফিকেশন জারি করে জানিয়েছে, ভারতের ভেতরে যেসব ব্যক্তি অবৈধভাবে অবস্থান করছেন এবং ভারতীয় নাগরিক হওয়ার প্রমাণ দেখাতে পারছেন না, তাদের আটক করা হবে।

◾ বিদেশি ট্রাইব্যুনাল হবে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত গ্রহণকারী

সরকার জানিয়েছে, প্রতিটি রাজ্যে ফরেনার্স ট্রাইব্যুনাল গঠন করা হবে। তিন সদস্যবিশিষ্ট এই ট্রাইব্যুনাল নির্ধারণ করবে কোনো ব্যক্তি বিদেশি নাগরিক কিনা। যদি অভিযুক্ত ব্যক্তি নাগরিকত্বের প্রমাণ  দিতে ব্যর্থ হন, তাকে অবিলম্বে ডিটেনশন সেন্টারে রাখা হবে, যতক্ষণ না ডিপোর্টেশনের ব্যবস্থা করা যায়।

◾ নেপাল ও ভুটানের নাগরিকদের জন্য বিশেষ ছাড়

নতুন নোটিফিকেশনে বলা হয়েছে, নেপাল এবং ভুটানের নাগরিকরা ভারতের ভূখণ্ডে প্রবেশ কিংবা প্রস্থান করার ক্ষেত্রে পাসপোর্ট বা ভিসার প্রয়োজনীয়তা থেকে অব্যাহতি পাবেন। তবে শর্ত হলো—তারা চীন, হংকং, ম্যাকাও বা পাকিস্তান হয়ে ভারতে প্রবেশ করতে পারবেন না। একই নিয়ম ভারতীয় নাগরিকদের জন্যও প্রযোজ্য, যারা নেপাল বা ভুটান হয়ে ভারতে প্রবেশ করেন। তাছাড়া ১৯৫৯ সালের পর থেকে ২০০৩ সালের ৩০ মে’র মধ্যে ভারতে এসে নিবন্ধিত তিব্বতি শরণার্থীরাও এই বিশেষ ছাড়ের আওতায় পড়বেন।

◾ পাকিস্তান, বাংলাদেশ ও আফগানিস্তান থেকে আসা সংখ্যালঘুদের জন্য স্বস্তির বার্তা

ভারত সরকার জানিয়েছেন, পাকিস্তান, বাংলাদেশ এবং আফগানিস্তান থেকে ধর্মীয় নিপীড়নের শিকার হয়ে ৩১ ডিসেম্বর ২০২৪ পর্যন্ত ভারতে প্রবেশ করা হিন্দু, শিখ, বৌদ্ধ, জৈন, পারসি এবং খ্রিস্টান সম্প্রদায়ের মানুষদের ভিসা বা পাসপোর্টের বাধ্যবাধকতা থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে। এর মানে, তাদের যদি বৈধ কাগজপত্র না থাকে কিংবা কাগজপত্রের মেয়াদ ফুরিয়েও যায়, তবুও তারা ভারতে অবস্থান করতে পারবেন।

এই বিধানকে নাগরিকত্ব সংশোধনী আইন (CAA)-এর সঙ্গে সম্পর্কিত বলা হচ্ছে। যেখানে পূর্বে ২০১৪ সালের ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত আসা শরণার্থীদের নাগরিকত্ব দেওয়ার কথা উল্লেখ ছিল। এবার সেই সীমা ২০২৪ সালের ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত বাড়ানো হয়েছে। তবে এই পদক্ষেপ সরাসরি নাগরিকত্ব নয়, বরং ভারতে বৈধভাবে বসবাসের অনুমতি মাত্র।

◾ নতুন আইন কার্যকর

এই সমস্ত ব্যবস্থা “ইমিগ্রেশন অ্যান্ড ফরেনার্স অ্যাক্ট, ২০২৫”–এর অধীনে কার্যকর হচ্ছে। নতুন আইনে বিদেশিদের ভারতে প্রবেশ, পরিচয়, কর্মসংস্থান এবং আইনানুগ প্রক্রিয়া সম্পর্কিত পুরনো সব নিয়মে পরিবর্তন আনা হয়েছে।একদিকে অবৈধ বিদেশিদের বিরুদ্ধে কড়া ব্যবস্থা নিতে চলেছে ভারত, অন্যদিকে প্রতিবেশী নেপাল ও ভুটান এবং প্রতিবেশী তিন দেশের নিপীড়িত সংখ্যালঘুদের প্রতি মানবিক দিক বিবেচনা করে বিশেষ ছাড় ঘোষণা করা হয়েছে।

[the_ad id='179']

Leave a Comment

सबसे ज्यादा पड़ गई